তুমিই মায়াবী

কি যেন মায়া করলে

সবি তো টেনে নিলে

আমার থেকে এবং আমাকে

মায়া সব মায়া

তুমিই তো মায়াবী!

আসলেই তুমিই মায়াবতী।

তোমার কাছে আমার স্বপ্নগুলি

উড়নচণ্ডী হয়ে যায়।

আমার স্বপ্নগুলো নিশ্বাস হারিয়ে

ফিরে আছে তোমার কাছে।

তোমাকে খুঁজে বেড়াই!

উড়ন্ত শঙ্খ চিলের চেয়েও দ্রুতগামী হয়ে!

আশ্রয় খুঁজেছে তোমার মায়াবী হৃদয়ে।

তুমি স্বেচ্ছায় স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছিলে

অচিনপুরে!

ক্ষণেক্ষণে তোমাকে খুঁজি আমি

পাই না তো দৃষ্টিঅগোচরে

তোমাকে দেখা।

২১/৬/২১,মুজাফফর নগর,চট্টগ্রাম

মর হোজপানা গান

তুই হারি নেজেলে

ভালতদুরোত

দুরোত্তুন দুরোত ভালতদুরোত।

ও পরানি,ও পরানি

নেজে ওজ হারি মর বেক হোজপানান

আহা মর হোজপানান(২)

হেনে পারলিলে তুই হারি নেজেয়

মর মনর বেক হোজ পানান

ও পরানি,ও পরানি

তর হি মনত ন উদে মর হোজপানান

তর হি মনত ন উদে মর হোজপানান

তরে ছাড়া হারোরে মুই বাবি ন পারঙ

বানা তরে মনত উদে মর

তুই সিয়ানও হি বাবি সাজ।

ও পরানি, ও পরানি

তরে মুই হোজ পিয়ঙ ম পরানহ্ থু মত্তুন

তরে মুই গম পিয়ঙ মহ্ মনত্তুন

দিনেরেদে বানা তরে বাবঙ মুই

সিয়ানও বুজিবার ন সাজ।

ও পরানি,ও পরানি

মর হোজপানা গান

হারি নেজেলে তুই

ভালতদুরোত

দুরোতত্তুন দুরোত ভালতদুরোত।

২০/৬/২১,মুজাফফর নগর,খুলশী, চট্টগ্রাম

মনত দুগ

হধা এল দ্বিজনর

হোজপানা রাগেবঙ ধুরি।

হধক হদা হুয়েই দ্বিজনে

ভালকদিন ধুরি।

হধক আজা এলে তরে নিনে

স্বপ দিগিদিঙ দিনেরেদে

বানা তরে বাবিনেই।

জীংহানি হাদেবার সিওন তরে নিনে

তরে হদক পরান, পরান গুরি দাক্কোঙ

হধক মিদে হদা হুয়োজ তুই

তর দোল আজি দেগিনে

তরে মুই আর পুরি ফেলে

নহ্ পারিলুঙ।

তর দোল লাম্বা চুলান,

দোল তর চোগো হাজল আনি

হারি নেজে মরে তহ্ লগে।

হধক মরে তুই স্ববন দেগেয়োজ।

স্ববন আনি তুই বাঙই ও দিলে

এচ্চে তুই গায়গায় গুরি সিনি

বাঙগি নেজেলে।

মনগ দুগ বারে দিলে তুই আরও

মুই ইক্কু হারে নিনে তেম

হারে নিয়ে স্ববন বুনিম

হধক হোজ পিয়ঙ তরে

তুই অভিমান গুরি বেক্কানি

হারি নেজেলে।

তুই এদক স্বার্থপর অবেদে মুই বাবি

ন পারঙ হনোদিন।

মিজে হোজপানার অভিনয় গুরিনে

তুই হি পেল জীংহানি ত।

তর হোজপানা ফুরি পেলে

ন পারঙ অল মুই।

মনত দুগ বারে দিলে তুই আরও

ইক্কু হেনে বাজিম মুই।

১৯/৬/২১,,মুজাফফর নগর,খুলশী আবাসিক এলাকা,চট্টগ্রাম

তুমি চলে যাবে

তোমাকে দেখে হঠাৎ কিছু না ভেবেই

আমি অন্ধ হয়ে ভালবেসে ছিলাম।

প্রিয়তমা, তুমি আমার ভালবাসা কখনও

চাওনি!

আমি কিন্তু তোমার ভালবাসার মানুষ

হতে চেয়েছিলাম,কিন্তু আজ পর্যন্ত হতে

পারিনি।

আসলেই তুমি চাওনি বলেই তোমার

ভালবাসা হতে পারিনি।

তুমি চেয়েছিলে তোমার জীবনে আমি

না হয়ে অন্য কেউ তোমার ভালবাসার

জায়গাটি পূরণ করুক।

আমি বারবার তোমার ভালবাসা পেতে

চেয়েছিলাম, তোমার প্রিয় হতে চেয়েছিলাম।

তুমি বারবার মুখ ফিরিয়ে নিয়ে ছিলে

আমার থেকে।

এই হতভাগার আর কি করার বা ছিল।

তোমাকে নিয়ে দিনরাত স্বপ্ন দেখে ছিলাম

একটা সুন্দর জীবন আর মনোরম পৃথিবী

বানাবো বলে।

তুমি কিন্তু বোঝেনি আমার মত হতভাগার

মানুষের ভালবাসার হৃদয়টি।

তুমি বারবার প্রত্যাখ্যান করছিলে,

এই ভবঘুরের অমোঘ ভালবাসাটিকে।

আমি কিন্তু তোমাকে ভুূলে যেতে পারবো

বলে মন যেন চাচ্ছে না কোনো কিছুতেই।

তুমি হয়তো বা পরের হয়ে যাবে,

অনেক দূরে চলে যাবি

আমাকে দূরে ঢেলে দিয়ে

কখন হয়তোবা তোমার নাগাল পাবো না!

তবু তোমাকে যে আমি গভীর ভাবে

ভালবেসে ফেলেছিলাম,সেথা আমি

ভুলি কি করে।

তুমি হঠাৎ আমার হৃদয়ে অন্ধকার দূরে

ছিলে আর এখন আবার নিশীথের চেয়ে

ভয়ংকর অন্ধকূপে রেখে চলে গেলে।

একদিন আমি স্বপ দেখেছিলাম অন্ধকূপকে

আলোকিত করবো বলে

সেথাও আজ বিসর্জিত হলো।

যাহোক আমার স্মৃতি পাতায় স্থান পেয়ে

হাজার বছর বেঁচে থেকো।

তুমি হয়তো একদিন স্মৃতি যাবে,

নিয়তি তোমাকে আজ স্মৃতি বানিয়ে

ফেললো।

আমাকে ফেলে দূরে চলে যাবে,

অনেক দূরে,

যেখানে আমার নাগাল, তোমার পদধ্বনি

স্পর্শ করবে না,

ঠিক সেই খানে যাবে তুমি

তবুও তোমাকে সহজে ভুলি কি করে।

তুমি আমার হয়ে রবে চির অম্লান হয়ে

তোমাকে ভুলবো নাকো

আজীবন ধরে,

তোমাকে আর তোমার ভালবাসা আমি

কি করে ভুলে থাকবো

তুমি পরের হলেও আমার হয়ে থেকো

প্রিয়তমা।।

আজীবন ধরে, তোমার প্রতীক্ষায় থেকে

যাবো লোগাঙ নদীর বানডাকা জলে মাঝে।।

১৯/৬/২১,মুজাফফর নগর,খুলশী, চট্টগ্রাম

বারিজে এলেহ্

বারিজে দিনোত বানা তরে মনত উদে

হিচ্চু গম ন লাগে

বানা তরে তোগায় মর মনানে।

গুরি গুরি ঝর পুদো গুন সেই সেই

বানা তরে বাবঙ মুই।

তর হোজপানা বারি গুরি মনত উদে মর

স্ববন বুনোঙ তরে নিনে

আজার আজার ঝরো পুদো

গুন মনত তুলিনে।

তরে মুই পরানত বানি রাগেঙ

গোদা জীংহানি বিদি গেলেও।

মৌনমুরো তুন বেজ

দাঙর হোজপানা লোয় সাজেম তরে

তুই যদি হায় এলে।

১৮/৬/২১,মুজাফফর নগর,খুলশী

হোজপানা গোজাগি

বারিজে দিনোত মনত উদি যায় তরে,

বানা তর হোজপানা মাগে

মর মনানে।

আয় আয় তুই মহ্ বুগোত

হোজপানা গজে দেগি।

তর হোজপানা পিবার আজায়

রেদে দিনে ঘুম নহ্ অয় মর।

তর হোজপানা ভরে দেগি

মর মনানত।

তর হোজপানা ফুদি তুলি দেগি

মর বুগোত।

তর হোজপানা পিবার

আজায় বাজি তেম মুই

জনম জনম ধুরি।

হোজপানা গোজোগি মর মনত

১৭/৬/২১

তুই আই যাদি

দ্বিজনে বেরেয়োই মৌনমুরো

জার তারুমও সেরে।

এইল্ এইল্ রঙ য়োর পাদানি

সাজে রাগেয়ে মৌনমুরোউনোরে দোল গুরি।

রিনি চেলে চোগ পিরে বার মন ন অয়

বানা সেই তিবার মনে হয়দে

দোল মৌনমুরোউনরে।

মনে অয় বানা তরলোই মোনউগুরে

বুজিনে হোজপানার হধা হুবারলোই।

কাদি মাসওর পূর্ণিমা রেত ওট

পিবির পিবির বোয়েরে নাল ওট

বুজিনে হাজি যেবঙ দ্বিজনে

চোগে চিন ন পিয়ে দোল এক জাগাত।

আরো তর হোজপানা বারি এব

মৌনমুরো চিল চাদারা বেরে লে।

গাছে গাছে নানা পেগোর মিদে মিদে

গান দোয় বুরি জেব গোদা মোনমুরো।

আই আই যাদি তুই,

বেরেয়োই দ্বিজনে মোনমুরো হিলো সেরো

১৬/৬/২১,

ফিরি এজ তুই যাদি

তুই দুরোত গেলে গম ন লাগে

মর মনানত,

বানা হায় তোগায় তরে মর মনানে।

তুই মরে ভুলি গেলেও,

মুই তরে হনোদিন পুরি পেলে ন পারিম।

পুরি পেলেই ন পারিম,

তর দোল আজিবো,

মর মনত থেব

গোদা জীংহানি ত।

হেনে পুরি পেলেম আই

তর নয়েয়ে নয়েয়ে রবো,

তর দোল লাম্বা চুলানি,

তর দোল হগিলো চোক্কুন।

তুই দুরোত গেলেও

তর দোল আজিবো

বিজগ ওট লিগি রাগেম মুই

তুই ন দিগিবো সেক্কে

ভালতদুরোত পেলে জোবে গোয়।

যক্কে তর মর দ্বিজনর

হোজপানা মনত উদিবো

সেক্কে গুজুরি গুজুরি হানিবে।

ফিরি ইবার সেবে তুই,

ফিরি এই ন পারিবে।

হদক তরে নিনে মুই পত্ত্যে

দোল দোল স্ববন দিগিদুঙ।

তুই দুরোত জেনে বেক হারি নেজেওজ

মর মনত্তুন।

তুই হায় ন থেলে

মনান উলোজোলো অই উদে।

তুই হায় ন থেলে মর

হিচ্চু গম ন লাগে।

বানা তরে হায় তোগায় এই মনানে

হায় ফিরি এজ তুই যাদি।

১৫/৬/২১,মনি পাড়া

বিষণ্ণতা

তোমাকে ছাড়া বিষণ্ণতা আঁকড়ে ধরে,

মুষ্টিবদ্ধ হাতে দিয়ে,

ছুঁয়ে যায় নীরবতার ঝড়।

মায়াজাল ছিন্ন হয়,তোমাকে হারিয়ে গেলে

কষ্টে পাথর বেড়ে যায়

ঔই দূর দিগন্তের মাঝে।

তারকা রাজির ঝিলমিলি হারিয়ে যায়

তুমি দূরে চলে গেছ বলে।

বৈচিত্র্যময় জগৎ কান্নাভেজা কন্ঠে,

তোমাকে আলিঙ্গনে জন্যে খোঁজে।

রিক্ত হস্তে তোমার অপূর্ণতা

স্তব্ধ করতে চাই কাছে বসে।

১৪/৬/২১,মনিপাড়া

তোমার জন্যে: চে গুয়েভারা

শুভ জন্মদিন চে গুয়েভারা

আর্নেস্তো চে গুয়েভারা! ( ১৪ জুন, ১৯২৮ – ৯ অক্টোবর,১৯৬৭)
আজ আমার ভালবাসার মানুষ চে – র জন্মদিন।

জলপাই রঙের পোশাক, পিঠে রাইফেল, হাভানা চুরুটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে একদিন চলে গেলেন ঐ দূর অরণ্যের ভেতর আমার প্রিয় চে!

চে তো ডাক্তার ছিলেন,তাই না? পয়সাকড়িরও অভাব ছিলো না।
জীবনটা কাটিয়ে দিতে পারতেন আর পাঁচটা সুখী মানুষের মতো।

তাই আজ শুধু প্রিয় কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কবিতার কথা মনে পড়ে, ” চে তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয় / বলিভিয়ার জঙ্গলে নীল প্যান্টালুন পরা তোমার ছিন্নভিন্ন শরীর…আমাকে অপরাধী করে দেয়… “

চে! ল্যাটিন আমেরিকায় গিয়ে সেখানের মানুষের দুর্দশা দেখে কেন তুমি কাঁধে রাইফেল তুলে নিলে?
সাম্রাজ্যবাদ ও তার সহযোগীদের শোষনের বিরুদ্ধে?

মেক্সিকোয় দেখা হলো এক বিস্ময়কর মানুষের সঙ্গে।

চে! সে মানুষটি হলেন আবার
তোমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু কমরেড ফিদেল কাস্ত্রো!

কিউবা বিপ্লবে জড়িয়ে পড়লে তুমি।

চে তো এক স্বপ্নের ফেরিওয়ালা!
বিপ্লবের রোমান্টিসিজমের নেশায় চব্বিশ ঘন্টা মাতাল হয়ে থাকতে যে চে ভালবাসতেন।

একদিন কিউবা স্বাধীন হলো।
কাস্ত্রো চাইলেন,চে কিউবায় থেকে মন্ত্রিত্ব করুক আরো কিছুদিন।

কিন্তু কে বোঝায় চে কে?
বিপ্লবের রোমান্টিসিজম যে রক্তে!

আবার বলিভিয়ার জঙ্গলে মানুষের মুক্তির সন্ধানে।

একদিন সি আই এ র চর ঘিরে ফেললো বলিভিয়ার জঙ্গল।
চে-র পায়ে গুলি করলো ৭ অক্টোবর।
রক্তঝরা পা নিয়ে ধরা পরে গেলেন চে।

৯ অক্টোবর, দুপুর ১.১০ মিনিটে চে-র মৃত্যু নিশ্চিত করতে পরপর ন’খানা গুলি করলো ঘাতকের দল।

সেদিন চে তুমি হেসে বলেছিলে, “তোমরা আমায় মারতে পারো, তবে আমাকেই হত্যা করবে, আমার বৈপ্লবিক আদর্শকে নয়।”

ঠিক তাই হলো।
চে! তুমি ছড়িয়ে গেল সারা বিশ্বে।
পোস্টারে, টি শার্টে শুধু নয়,
মানুষের হৃদয়ে আঁকা হয়ে গেল চে গুয়েভারার ছবি।

চে! তুমি ঘুমোও।
আমরা জেগে আছি।

আজ চে গুয়েভারার জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধা রইল।

পুনশ্চঃ
চুরুট হাতে এই ছবি টাইম ম্যাগাজিনের বিচারে বিশ্বের ১০০ জন বিশিষ্ট মানুষের ছবির মধ্যে একটি বিশেষ ছবি।
ছবিটি তুলেছেন আলবার্তো কোদার।

চে #চেগুয়েভারা

১৪/৬/২১,মনি পাড়া