“আমি সমতলে চলে যাব”

কোনো এক ঈদের ছুটিতে
পাহাড় ডিঙ্গিয়ে চলে যাব সমতলে।
যখন ঈদের আমেজে ভরে উঠবে পুরো সমতল ভূমি,
তখনি আমি গিয়ে হাজির হবো সমতলে কিনারায়।
বহুতল ভবনে যাবে, খুঁজে দেখবো বা**লি রমণীয়া দের।
বহুতল ফ্ল্যাটে এক রুম ভাড়া নেবো
আমেজে বেশ উঠবে,
উত্তেজনায় কেপে যাবে শরীর সর্বাঙ্গে।
তারপর ঘুরে দেখবো সমতলে আনাচেকানাচে,
বোরকা আর হিজাবে মিলনমেলা চলবে
ফুটপাত থেকে মিনি মার্কেট,
সুপারমার্কেট পর সুপারমার্কেট ভিতরে।
সুন্দরী রমণীরা আসবে দল ভেদে
তাদের দিকে ছেয়ে থাকবো তীক্ষ্ণ দৃষ্টি ফেলে।
নগ্নতা ভেবে কাছে টানবে আমাকে,আর
মধুকর হাসি দিয়ে তাদের সাথে মিলে যাবো
সুমধুর সন্ধিক্ষণে।
ঘ্রাণ স্পর্শ করে মাতাল হয়ে যাবো
আর মাতাল করে দেবো সর্বাঙ্গ।
বিবাহের প্রস্তাব দেবো,সুন্দর রমণীকে;
বিয়ে হয়ে যাবে ক্ষণিকে!
জানি স্বামী ভক্ত হবে,স্বামীর কথায় উঠাবসা করবে।
আমৃত্যু স্বামীর সেবা করে যাবে।
কখনও স্বামীর ঝগড়ায় লিপ্ত হবে না।
দেনমোহর,যৌতুক দেবো উজাড় করে
আমাকে স্থান করে দিবে শিল্পপতির কাতারে।
আহা! ফ্ল্যাটবাড়ি পাবো, মনের মাধুরী মিশিয়ে
দেবো পুরো দমে, উদ্দামে নগ্নতা পাবে শরীর সর্বাঙ্গ ।
চাঁদের জ্যোৎস্নাময় রাত্রি দেখবো ছাদের ওপর থেকে,যত রাত্রি নামবে উদ্দামে ভেসে যাবো
দুজন দুজনার আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে।
পুরুষতান্ত্রিক বাঙালি সমাজে নারী নগণ্য
আমিও সেই হাত ধরে মিশে দেবো।
স্কুল-কলেজে যাবেনা,সেই ব্যাপারে তারা
নিজেরাও সচেতন,হাটবাজারেও যাওয়া হবেনা।
আমার দাস হয়ে বরে ,
মৃত্যু আগ মুহূর্তেও।
না আমি স্বাধীনতা দিতে ছেয়েছি,তা তো হবেনা
এই পুরুষতান্ত্রিক বীর বাঙালির চোখ উঠে যাবো,
ভূমিকম্প বয়ে যাবে সমতল জুড়ে।
বাঙালি পুরুষেরা বাহিরে কাজে যাবে
আর আমার রমণীরা ঘরে বসে কাজ করে থাকবে।
বাচ্চাকাচ্চা উৎপাদন করে, লালনপালন করে
তার জীবন কেটে যাবে।
আর আমি নগ্ন যৌনতায় ভরে দেবো।

সাদী শ্বাশত “পাহাড়ে চলে যাব”কবিতায় মানদণ্ড দেখে ছোট্ট প্রয়াস করে লিখলাম।পাহাড়ী মেয়েদের নিয়ে বাঙালির কবি,লেখকেরা যৌনতায় মজে তারই আরো ভালো উদাহরণ দিলেন সাদী শ্বাশত মতো ২পয়সা লেখকরা। আগে বিপ্লব রহমান দা’র লেখা বই পড়ে জানতে পেড়েছি, বাঙালিদের(কবি,লেখক,সামরিক) পাহাড়ী মেয়েদের সাথে যৌনতার মনোবিকলনের দশা।বাঙালি কবি,লেখক,সাংবাদিকদের মনোবিকলন বিরুদ্ধে নিজেই প্রতিবাদ করেছিলেন বিপ্লব রহমান দা।

Ronald chakma
18/9/21

রোনাল্ডচাকমা

ronaldchakma

পাহাড় তোমার কথোপকথন

কে তুমি?
আমি পাহাড়,
পাহাড়ের নদীর বানডাকা জল।
আমি জলপ্রপাত,
পাহাড়ের প্রান্তবিন্দুর সর্বশেষ!
সেখানে সর্বেসর্বা আমার স্থানের চাপ।
আমার বিচরণ সবুজের মাঝে,সবুজপাতা কাছে
লোগাঙ, চেঙ্গী পেড়িয়ে, মাইনি,কাচলং
আরো ইচ্ছামতি,কর্ণফুলী পাড়ি দিয়ে
শঙ্খ,সাঙ্গু কিবা মাতামুহুরি মাঝে
সর্বশেষ নাফনদীর প্রান্তে।
ভগবানটিলা,গাল্লোমোন, আলুটিলা, ফুরোমোন
কেওক্রাডং,তাজিংডং চূড়ায় বিজয়কেতন উড়াবো বলে স্বপ্ন আঁকি।
সবুজের ঘেরা শৃঙ্গের চূঁড়ায় আনাচেকানাচে
আমি,আমি আর আমি
আমিই পাহাড়।

কে তুমি?
আমি পাহাড়ের আগ্নেয়গিরি অগ্নুৎপাত
আমার উত্তাপে শেষ, সকল অন্যায়ের ব্যারিকেড
আমি অন্যায়ে প্রতিবাদ।
আমি পাহাড়ের বিক্ষিপ্ত জুম্মো জনতার মিছিল।
আমি পাহাড়ের কংক্রিট গড়া রাজপথ।
আমি হায়েনাকে প্রতিরোধ করতে দাড়িয়ে থাকি
পর্বত থেকে পর্বতের উচুনিচু ভূমির পাদদেশস্থ।
আমি খাস্তে, গুলি, বোমা,ককটেলে ভয়ভীত নয়
আমি ভয়ভীত পাহাড়ি ঘুমন্ত জনতার জেগে ওঠার কাছে।
আমি রক্ত দিতে জানি,পাহাড়ের কাছে
মুক্তিকামী মানুষ হয়ে।
আমি পাহাড়ে শাসকগোষ্ঠীর শেষ হাতটুকুও
পুড়িয়ে ফেলতে চাই পাহাড়ে মাঝে,
যেন তারা আর পাহাড় লুটে স্বপ্ন না বুনে।
আমি মুক্তি চাই,আমি মুক্তি চাই
হায়েনার শাসনের কবল থেকে।
আমি লোগাঙ থেকে লংগদু
নান্যেচর থেকে কমলপতির
মাঝে আর রক্তধারা পেতে চাই না।
আমি শান্ত প্রকৃতি,চিরসবুজ পাহাড় চাই।
আর এটাই আমি।

রোনাল্ড
১৬/৯/২১,চট্টগ্রাম

লারমা তোমার স্মরণে

স্মরণে লারমা

হে লারমা,
তুমি জন্মেছিলে পাহাড়ের বুকে,
পাহাড়ের মায়ের কোলে।
তুমি জন্মেছিলে বলে,
পাহাড়ের ঝর্ণাধারা,অরণ্যের
সবুজপাতা জেগেছে নতুন করে, জেগেছে নতুন স্বরে।
শান্ত প্রকৃতি,সবুজ পাহাড়ের প্রাণ জেগেছে আবার।

নিঝুম বন,সবুজে পাহাড়ে
গহীন অরণ্য ফিরেছে সবুজের গভীরত্ব নিয়ে,
তোমাকে স্বাগত জানাবে বলে।
পাহাড়ে ফিরে পেয়েছে নতুন জীবন!
তোমার ছোঁয়া, কিংবা ছায়া স্পর্শ করবে বলে।
তোমার জন্ম হয়েছে বলে,
পাহাড়ের পর পাহাড়,
সবুজের বন, সুবজপাতা,
কড়ি ও কোমল নিয়ে
সেজেছে নতুন সুরে,
নতুনত্ব নিয়ে।

তুমি বুড়িঘাট টপকিয়ে,
আলুটিলা, ফুরোমোন,কেওক্রাডং কিংবা
তাজিংডং চূড়ায় বিরাজমান রয়েছো মহারাজ বেশেে।
পাহাড়ের আনাচেকানাচে সবুজ বনে,
মাটি ও মানুষের মনে,
বেঁচে রবে তুমি,
যুগ যুগ ধরে।
আর জুড়ে রবে শতাব্দী পর শতাব্দী ধরে,
কোটি বছর পরেও।

তোমার আলোয় আলোকিত হয়েছিল
সবুজের সমারোহ ঘেরা পাহাড়,পাহাড়ি জনপদ,
পাহাড়ের মাটি ও মানুষ।
তুমি শিখিয়েছিলে,
লড়াই করে বেঁচে থাকার সংগ্রাম।
তুমি শিখিয়েছিলে,
আত্মত্যাগের মাহাত্ম্য।
তুমি সংগ্রামে প্রদীপ জ্বালিয়েছিলে,জলন্ত মশাল হয়ে।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে,নিপীড়কে বিরুদ্ধে,
তুমি প্রথম প্রতিবাদ করেছিলে।

হে কমরেড,হে বীর
তুমি অজেয়,তুমি মহান
তুমি বুদ্ধিদীপ্ত, তুমি তেজস্বী
তুমিই সারথি, আর তুমিই মহারথী।
মননে রবে তুমি,চিন্তায় তুমি,
চেতনায় চির অম্লান হয়ে রবে তুমি,
প্রত্যেক জুম্মোর হৃদয়ে।

রোনাল্ড চাকমা

১৪/৯/২১,Chittagong

#শুভজন্মদিনলারমা

পাহাড়ে জন্ম আমার

পাহাড়ে জন্ম আমার,
এই পাহাড় আমার জীবন
আর মরণ।
পাহাড়ে মনোরম প্রকৃতির মাঝে আমি
নিজেকে হারিয়ে ফেলি।বারবার ফিরে আছি পাহাড়ের চূঁড়ায়।
ফিরে আসবো হাজার বছর পরেও
হয়তো সবুজ -শ্যামলের কিছুটা ভাটা পড়বে
তবুও ফিরে আসবো সবুজ পাহাড়ের নীড়ে।

আমাকে বারবার ডাকে আমার পাহাড়,
সেই সাথে ডাকে লোগাঙ, চেঙ্গী,
মাইনি কাচলং,কর্ণফুলী;
ইচ্ছামতি,হালদা,শঙ্খ,মাতামুহুরি।
যাদের উপর ভর দিয়ে সকাল হয় আমার
বিকাল এসে আমাকে নিয়ে খেলতে থাকে।

যাদের ওপর আমার পায়ের পাতা পড়ে
বারবার, যাদের উপর দিয়ে বিচরণ করি আমি।
যাদের উপর দিয়ে হাঁটি;
যারা আমায় জীবন বাঁচাই
ডাকে আমায়, ডাকে আমায়
ফিরে আয়, ফিরে আয়
সবুজের লীলাভূমির মাঝে,
শুদ্ধ করো তোমার প্রিয় পাহাড়কে।

রোনাল্ড চাকমা

৪/৯/২১,চট্টগ্রাম

হায় নেই তুই

হায় নেই তুই,

পেলে জিয়োস চোই মরে

ভালকদূরোত।

তর মর দ্বিজনর হধানি

বানা ইধোত উদে মর।

তর হধা ইধোত তুলি

মর মনানে

হানি বার চাই বানা।

তরে হোচ পিয়ঙ,মর হোচপানা দোঙ

হোচপানার স্ববন দেগেয়োজ তুই

ইক্কে তুই বেক ভুলি জিয়োস।

পাত্তা ন দোজ আর তুই।

তত্তে এজ আগে,

মর হোচপানা।

ফিরি এবে নি আর তুই!

আরো ফিরি এবে বিলি

তহ্ মক্কে চেই তাই

মর মনানে।

আগে হধক হায় এচ্ছোজ তুই

তর চুলো চুধোত হধক

নাকশা ফুল দিনে সাজে দোঙ মুই।

সিনি তুই বেক ভুলি জিয়োস

ভুলি জিয়োস তুই।

সেনে পেলে জিয়োচ্চোই তুই মরে

হায় নেই তুই

পেলে জিয়োস চোই মরে

ভালকদূরোত।

হধক মিধে মিধে হধা হুয়োজ

তুই মরে।

মর মনান তহ্ পদত আজি নেজেয়োজ

তুই এচ্চে হায় নেই হেনে

হিচ্চু আর গম ন লাগে

এই জীংহানিত।

মর হোচপানা এজ আগে

তহ্ মক্কে চেই,তহ্ মক্কে চেই।

রোনাল্ড

৩১/৮/২১,মোজাফফর নগর

চন্দ্রনাথ পাহাড় বা শৃঙ্গ

চন্দ্রনাথ পাহাড় বা শৃঙ্গ

চন্দ্রনাথ পাহাড় বা শৃঙ্গ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত।চন্দ্রনাথ পাহাড়ের আরেক নাম সীতাকুণ্ড পাহাড়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের থেকে দেখা মেলে চন্দ্রনাথ পাহাড় ।
সীতাকুণ্ড পাহাড় বা চন্দ্রনাথ পাহাড় হিমালয় থেকে বিচ্ছিন্ন অংশ যা পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। ভারতের মেঘালয় আসাম,ত্রিপুরা, মণিপুর, নাগাল্যান্ড,মিজোরাম(অরুণাচল বাদ দিলাম, কারণ অরুণাচল হিমালয়ের সাথে জুড় রয়ে।ছে) আর বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা, সিলেট,ময়মনসিংহ আর সীতাকুণ্ড তে রয়েছে হিমালয়ের বিচ্ছিন্ন অংশ।

চন্দ্রনাথেয় ফিরে আছি,
চন্দ্রনাথ পাহাড়টি ভারতে আসাম আর ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্য দিয়ে এসে ফেনী নদী পার হয়ে চট্টগ্রাম জেলা সাথে একাকার হয়ে মিছে গেছে।সীতাকুণ্ড শহরের পূর্ব দিকে অবস্থিত চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উচ্চতা ১১৫২ ফুট(Feet)। যা চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ উচু পাহাড়। চট্টগ্রামের দিকে এসে এর উচ্চতা কিছুটা কমে গেছে।চট্টগ্রাম শহরের উপকণ্ঠে বিটালি পাহাড়ের উচ্চতা ২৮০ ফুট এবং চট্টগ্রাম শহর থেকে কিছুটা উত্তরে নঙ্গরখানার উচ্চতা ২৯৮ফুট।চন্দ্রনাথের চূড়া রয়েছে নান্দনিক সৌন্দর্যে অপরুপ শোভার সাজানো সহস্রধারা আর সুপ্তধারা নামে দুই জলপ্রপাত। এগুলো চন্দ্রনাথ মন্দিরের নিচে দিকে অবস্থিত। জলপ্রপাত বা ঝর্ণা দুটোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেছে সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক। ঝর্ণাগুলোও দেখতে অপরুপ।যা পর্যটকদের বারবার কাছে টানে।

চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপরে রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রনাথ মন্দির।চন্দ্রনাথের আরেক পাশে বা একটু নিচে রয়েছে বিরুপাক্ষ মন্দির।চন্দ্রনাথ মন্দিরকে বলা হয় কলিযুগের মহাতীর্থ।

চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে গোটা সীতাকুণ্ড শহর দেখা দেখা যায়।দেখা মেলে বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উপরে অংশ।যা সন্দীপ ও সীতাকুণ্ড কে ভাগ করে রেখেছে। চন্দ্রনাথ পাহাড়ে পশ্চিমে সীতাকুণ্ড,মিরসরাই, সন্দীপ ও হাতিয়ার
।আর পূর্বে অংশে জুড়ে রয়েছে হাটহাজারি,ফটিকছড়ি,নাজিরহাট,বিবিরহাট, মানিকছড়ি।
আরো চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপর থেকে দেখা মেলে সন্দীপ ও হাতিয়া।সাথে ভাসানচরের কিছু অংশ অল্প দেখা যায়।

হোচপানা বাজি থেব

দ্বিজনর হোচপানা বাজি থোক

আজার বজর ধুরি

জনমে জনমে হোচপানা রাগেবঙ দ্বিজনে

আধত মুধোত বানি।

সাগর ও দোক্কে দাঙর অব

হিমালয় ও দোক্কে অজল অব

বেল দোক্কে তেজি ওক

চানও আলো দোক্কে পহর অব

দ্বিজনর হোচপানা।

রাধামন-ধনপুদির হোচপানা

নুও গুরি সাজেবঙ দ্বিজনে মিলিনে

শিবচরণোর লামা দোক্কে গুরি

লিগিবঙ তর মর হোচপানার হধানি।

ও মোনবী মর ওয়নে থেবে

তুই জনম জনম ধুরি

সাত নাল সুদোর রয় বানি রাগেবঙ

দ্বিজনর হোচপানা নি।

২৯/৮/২১,মোজাফফর নগর

ও চিক্কোপুদি

তুই নিগিলে আই জপজপ্যে

নিবিল আন্ধার ওত্তুন।

হধক আর তেবে আন্ধার ওট

আলো পরত বাজে দে

ত মনর দুঃক্কানি।

আন্ধার হাদা যেব

মুই ন তেম

মুই ন তেম

মুই যক্কে ন তেম আর
এহুলো -ওহুলো তোগেলেও ন পেবে মরে ,
এই মৌন, ওই মৌন আঙউদি আঙউদি তোগেলেও ন পেবে
মুই যক্কে ন তেম আর।

হানিলেও পেদে নয়, আজিলেও পেদে নয়
রেঙ হারিবে,গুজুরি গুজুরি হানিবে
চোগো পানি সাগর অয় যেব,
তো ন পেবে মরে।
মুই যক্কে ন তেম আর।

মৌন মুরো উন হানিবাক,দেবা জিমিলে ব
ঝর পুদো পেলে ব
পেরাক তুলিবো,
ত বুগোত দর পুদিবো।
সেক্কে বাবি সেবে মরে
তো দেগা ন পেবে।

যক্কে তর মনান বুজিবো
সেক্কে আরো বেজ হানিবে
যক্কে মুই মাটি লোয় মিজি যেম
মরে তোগেবে হয়তো সেক্কে
হুদু আর পেব, মরে
মুই যক্কে ন তেম আর।

হানি হানি উদো ন পেবে
চোগ রাঙা অয় জিবাক
মুখ পেক্কাত্তে অব
ফুলোর তুমবাজ আরো হয়তো পেগো-গান শুনিবে
তো তর সুনজুক ন পুদিবো।

হানি হানি তোগে সেবে
বেন্ন্যে পত্তে বাদ মুজা বানি
তোগা লাগিবে
রিনি সেবে তারুম বন নানি
মৌন মুরো -ছড়া গাঙ অর
জুরি সেরে সেরে,তো ন পেবে।

ভাবিবে যেক্কে এক্কা, আরো হুনদিজ হেবে
আ!
হি গুরিলুঙ মুই, হি অল মর মনান।
আরো এক্কা তোরে পিদুঙ পিদুঙ গরি
বর মাগিবে
তো ন পেবে দেগা।
তুই গুজুরি গুজুরি হানিবে, হানিবে।

২৮/৮/২১,মোজাফফর নগর